বাংলাদেশের খুলনা ভ্রমণ এর বিস্তারিত



খুলনা ভ্রমণ বাংলাদেশের অন্যতম পরিচ্ছন্ন জেলা খুলনা।

এটি দেশের তৃতীয় বৃহত্তম জেলা! #প্রাচীন_মসজিদের_নগরী পরিচয়ে খুলনা সুপরিচিত। ঐতিহাসিক ও শ্রেষ্ঠ স্থাপত্য #ষাটগম্বুজ_মসজিদ সমগ্র খুলনার পরিচয়কে সুমহান

করেছে! #নারিকেলের_শাস ও #নদীর_মাছ খুলনার #সমার্থক_বাক্য! নদ-নদীর বিপুল প্রবাহ এবং চারিদিকে নারিকেল বৃক্ষের সমারোহ খুলনা জেলাকে দারুন পর্যটন অঞ্চলে পরিচিত করেছে! নারিকেল বৃক্ষের প্রাচুর্য খুলনার প্রকৃতিকে স্নিগ্ধ করে তুলেছে! খুলনা জেলা পুরোপুরি নদী সম্পদ দ্বারা পরিপুষ্ট! নদীর সাহায্যে বানিজ্য এবং নদী থেকে আহরিত চিংড়ি সহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ খুলনার প্রধান দুটি পরিচিতি! খুলনা বাংলাদেশের প্রাচীন একটি নগরী। রুপসা-পশুর নদী বিধৌত খুলনা ব্যবসা প্রসিদ্ধ অঞ্চল হিসেবে সুপরিচিত। #সাদা_সোনা খ্যাত #চিংড়ির_শহর_খুলনাকে পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যনগ্রোভ বনভূমি #সুন্দরবনের_প্রবেশদ্বার বলা হয়। প্রাচীন #নদীবন্দর খুলনা দেশের অন্যতম শিল্পনগরী শিরোনামে বিশ্বব্যাপী সমাদৃত। বাংলাদেশের ২য় প্রধান সমুদ্র বন্দর মংলা খুলনাতেই অবস্থিত। খুলনা ভ্রমণ

#খুলনা_জেলার_দর্শনীয়_স্থান_সমূহ 
  
১.#ষাটগম্বুজ_মসজিদ, ২.#খানজাহানরহ: মাজার,

৩.#দীঘি, ৪.#খাঞ্জালিদীঘি, ৫.#সিংগাইর_মসজিদ, ৬.#মজিদকুঁড়_মসজিদ, ৭.#আরশ_নগরের_মসজিদ,

৮.#বেতকাশী_মসজিদ, ৯.#আলাইপুরের_মসজিদ

১০.#সুন্দরবন, ১১.#তেরখাদা_পদ্ম_বিল,

১২.#বীরশ্রেষ্ঠ_রুহুল_আমিনের_সমাধি

১৩.#দক্ষিণডিহি ও #কুশারী_বাড়ি ১৪.#মিস্টার_চার্লির_কুঠিবাড়ি, ১৫.#রাডুলী, ১৬.#সেনহাটি,

১৭.#শিরোমনি_স্মৃতিসৌধ, ১৮.#জাতিসংঘ_পার্ক

১৯.#চুকনগর ও #গল্লামারি_বধ্যভূমি, ২০.#বকুলতলা

২১.#প্রেম_কানন, ২২.#মুজগুন্নী_পার্ক - #লেক, ২৩.#মহিম_দাশের_বাড়ি, ২৪.#খালিশপুর_সত্য_আশ্রম, ২৫.#সোনাডাঙ্গা_সোলার_পার্ক, ২৬.#শেখ_রাসেল_ইকোপার্ক, ২৭.#নিম_বাগান, ২৮.#রংপুর_গ্রাম,

২৯.#জাহানাবাদ_ক্যান্টনমেন্ট_চিড়িয়াখানা_এবং_পার্ক
 
 
১.#ষাট_গম্বুজ_মসজিদ ঃ অসাধারণ স্থাপত্যের নান্দনিক নিদর্শন। বাংলাদেশের প্রত্নতাত্ত্বিক মসজিদ গুলোর মধ্যে এটিই শ্রেষ্ঠ! মসজিদ টির নির্মাতা "আউলিয়া আজম" হযরত খান জাহান আলী (রহ:), তিনিও যুগশ্রেষ্ঠ আউলিয়া ছিলেন!! অসাধারণ জনদরদী ব্যক্তিত্ব ছিলেন হযরত খান জাহান আলী। অতুলনীয় কারুকার্যের এই মসজিদটি হযরত খান জাহান আলীর অসামান্য রুচিশীলতার পরিচয় বহন করে!** খুলনা ভ্রমণ
  
২.#ভ্রমণ_নির্দেশনা ঃ খুলনা হতে বাস/ সিএনজি/ টমটম

কিংবা ব্যক্তিগত বাহন কার/বাইকের মাধ্যমে সহজেই ঐতিহাসিক এই মসজিদ টিতে যাওয়া যায়। খুলনা হতে বাগেরহাট, মহাসড়কের উত্তর পাশে সুন্দরঘোনা গ্রামে অবস্থিত

খানজাহান আলী মসজিদ। দুরত্ব ৪১ কিমি:।

২.#বৃহৎ_দীঘি ঃ ষাট গম্বুজ মসজিদের পেছনে হযরত খান জাহান রহ: তত্তাবধানে খনন করা বৃহৎ একটি দীঘি রয়েছে।
 
৩.#হযরত_খান_জাহান_আলী_রহ: এর বিলুপ্তপ্রায় বাসস্থান ঃ

ষাটগম্বুজ মসজিদের ডান পাশের পথ দিয়ে ভ্যানগাড়িতে দুই কিমি: সামনে যেতে হবে।
 

৪.#সিংগাইর_মসজিদ ঃ ষাটগম্বুজ মসজিদের বিপরীত দিকে রাস্তার পাশেই এই মসজিদ অবস্থিত।

------------------------------------------------------------------

৫.রেজা খোদা মসজিদ, ৬.বিবি বেগুনি মসজিদ

৭.চুনাখোলা মসজিদ, ৮.নয় গম্বুজ মসজিদ

৯.রণবিজয়পুর/দরিয়া খাঁ’র মসজিদ, ১০.দশ গম্বুজ মসজিদ
 

*এই ছয়টি প্রাচীন মসজিদ খান জাহান আলী রহঃ এর মাজার

এলাকার সন্নিকটে অবস্থিত...
 

৫.#খান_জাহান_আলী রহ: এর মাজার ও #খাঞ্জালি_দীঘিঃ ষাট গম্বুজ মসজিদ হতে দুই কিমি: সামনেই অবস্থিত এই মাজার কমপ্লেক্স। এখানে বিশাল একটি দীঘি রয়েছে, যা হযরত খান জাহান আলী রহ: খনন করিয়েছিলেন।
 
হযরত খান জাহান আলী (রহঃ) মাজারের দক্ষিণ দিকে আয়তনে প্রায় ১২০ বিঘা জমি জুড়ে খাঞ্জেলী দীঘি অবস্থিত। হজরত খান জাহান আলী (রহঃ) কালাপাহাড় ও ধলাপাহাড় নামে দুইটি কুমির এই দিঘিতে ছেড়েছিলেন, যেগুলো পরে মারা যায়। পরর্বতীকালে কিছু মিঠা পানির কুমির দীঘিতে ছাড়া হয়। ম কালা পাহাড় মারা যাওয়ার পর ষাটগম্বুজ মসজিদের জাদুঘরে মমি করে রাখা হয়েছে। খুলনা ভ্রমণ
 
৬.#মসজিদকুড়_মসজিদ : খুলনা মহানগরী থেকে ৯০ কিলোমিটার দক্ষিণে কয়রা উপজেলায় আমাদী গ্রামে মসজিদকুড় মসজিদ অবস্থিত। এটি নির্মাণ করেছিলেন হযরত খানজাহান আলীর (র.) একান্ত সহচর হযরত বুড়ো খাঁ (র.)। তিনি ধর্ম প্রচারের সাথে রাজ্য শাসন ও জমি পত্তন করতেন। মসজিদটি সুন্দরবনের অবিস্মরণীয় কীর্তি। এটি বর্গাকার। এর প্রত্যেক বাহুর দিকে ৫৪ ফুট ও ভিতরের দিকে ৪০ ফুট লম্বা। মসজিদের তিনটি প্রবেশপথ আছে। মসজিদের পশ্চিম দেয়ালে আছে তিনটি মেহরাব। আছে চারটি মিনার। মসজিদটির বাইরের দেয়ালে দক্ষিণ পূর্ব ও উত্তর দিকে পোড়া মাটির চিত্র ফলকের দ্বারা অংকিত ছিল। মসজিদের মধ্যে ৪টি প্রস্তর স্তম্ভ আছে। আরো আছে ৯টি গম্বুজ। গম্বুজের নির্মাণ কৌশল খুবই চমৎকার।

৭.#আরশ_নগরের_মসজিদ : খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার আরশনগর গ্রামে একটি মসজিদ আছে। মসজিদটি নির্মিত হয়েছিল ইংরেজি ১৫০০ সালে। যতদূর জানা যায়, এ মসজিদটি নির্মাণ করেছিলেন পিরে কামেল শেখ শাহ আফজাল (র.) তিনি হযরত খানজাহান আলীর (র.) সাথে ইসলাম প্রচারে এসেছিলেন। এক পর্যায়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মসজিদটি ধ্বংস স্তুপে পরিণত হয়। ১৯৮৩ সালে ধ্বংস স্তুপ থেকে মসজিদটি উদ্ধার করে সংস্কার করা হয়। মসজিদের ভিতর থেকে একটি শিলা লিপি উদ্ধার করা হয়। তাতে একটি হাদিস লেখা আছে। বর্তমানে শিলা লিপিখানি রাজশাহী বরেন্দ্র জাদুঘরে রক্ষিত আছে। খুলনা ভ্রমণ

৮.#বেতকাশী_মসজিদ : কয়রা উপজেলায় বেতকাশি গ্রামে একটি মসজিদ নির্মিত হয়েছিল হযরত খানজাহান আলীর (র.) সময়ে। এটি নির্মাণ করেছিলেন তার একান্ত সহচর হযরত খালেক খাঁ (র.) মসজিদটি কারুকার্য খচিত করে নির্মাণ করা হয়েছিল।

সোলায়মান পুরের মসজিদ : পাইকগাছা উপজেলায় সোলায়মানপুর গ্রামে একটি মসজিদ নির্মিত হয়েছিল হযরত খানজাহান আলীর (র.) আমলে। এটি নির্মাণ করেছিলেন তার সাথে আসা এক শিষ্য হযরত বোরহান উদ্দিন খান (র.)। মসজিদটি খুবই সুন্দর ছিল।

৯.#আলাইপুরের_মসজিদ : রূপসা উপজেলার আলাইপুরে একটি প্রাচীন মসজিদ আছে। মসজিদটি দেখতে খুবই চমৎকার। তবে মসজিদটি কে নির্মাণ করেছিলেন তার সঠিক ইতিহাস এখনো অনুদঘাটিত। তবে এটি খানজাহান আলীর (র.) সময় নির্মিত হয়েছে বলে বিজ্ঞজনেরা অভিমত ব্যক্ত করেছেন।

চিংড়া মসজিদ : ডুমুরিয়া উপজেলার চিংড়া গ্রামে একটি প্রাচীন মসজিদ আছে। মসজিদটি কে নির্মাণ করেছেন তার সঠিক তথ্য জানা যায় না। অনেকের ধারণা এ মসজিদটিও খানজাহান আলীর (র.) সময়ে নির্মিত হয়েছিল। এ মসজিদ নিয়ে অনেক অলৌকিক কথা শোনা যায়। খুলনা ভ্রমণ
 
১০. #সুন্দরবন ঃভ্রমনের সেরা গন্তব্য পৃথিবীর একমাত্র ও একক বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বনভূমি সুন্দরবন। অমোঘ আকর্ষন, নিঝুম নান্দনিকতা, মায়াবী সৌন্দর্য্য এবং প্রকৃতির সেরা রহস্য এই সুন্দরবন। মহান আল্লাহ র অফুরন্ত দানের ভান্ডার শ্বাসমূলীয় এই বন। সুন্দবন পৃথিবীর বৃহত্তম 'Mangrove forest' অর্থাৎ

শ্বাসমূলীয় বনভূমি। বাংলাদেশের অহংকার সুন্দরবন।
 
সুন্দরবনের_স্পট_সমূহ---
 
(১) করমজল, (২) হাড় বাড়িয়া(৩) সুপতির খাল

(৪) মৃগমারী, (৫) তিনকোনা আইল্যান্ড

(৬) কটকা, (৭) জামতলা, (৮) হিরন পয়েন্ট

(৯) পাটকোস্টা, (১০) দোবেকি, (১১) কাগা দোবাকি

(১২) নটবাকি, (১৩) পুস্পকাঠি, (১৪) মান্দারবাড়িয়া

(১৫) পুটনির চর, (১৬) বংগবন্ধু আইল্যান্ড, (১৭) কেওড়া শুটি

(১৮) গিলার বন, (১৯) শেখের টেক,,,
 

**সুন্দরবনের সৌন্দর্য ---
 
*সবুজ সতেজ শ্বাসমূলের বন,

*জোয়ারে-ভাটার নিরন্তর লুকোচুরি,

*মায়াবী হরিণ ও বানরের বাঁদড়ামি,

*জলে কুমির ডাঙগায় বাঘ!!

*অপরুপ আলোরকোল,কটকা ও মান্দারবাড়িয়া সৈকত

*অসংখ্য নদী নালা ও খাঁড়ির সমাহার,

*চিংড়ি, কাঁকড়া সহ অসংখ্য মাছ,

*দূর্লভ ইরাবতী সহ বিভিন্ন প্রজাতির ডলফিন,

*কেওড়া,গড়ান,বাইন,সুন্দরী বৃক্ষ,

*অদ্ভুত বৃক্ষ লম্বাকৃতির গোলপাতা!

*বিভিন্ন ধরনের কাঠ ও মধুর অফুরন্ত যোগান,

*মাছ শুকানোর মহা কর্মক্ষেত্র দুবলার চর,

*ভারত-বাংলাদেশের অভিন্ন বন,

*কটকা ও হিরণ পয়েন্টে সাগর-নদীর মোহনীয় মিলন...
 

#ভ্রমণ_নির্দেশনা ঃ খুলনা রেল স্টেশন সংলগ্ন লঞ্চঘাট হতে বেশ কিছু ট্যুরিজম প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন প্যাকেজে পর্যটকদের ২,৩,৪,৫ দিনের সুন্দরবন ভ্রমনে নিয়ে যায়। এগুলো ভ্রমণ ব্যবস্থাপনায় #পর্যটক প্রতি ৬০০০ থেকে ১২০০০ টাকা পর্যন্ত

#প্যাকেজ_ট্যুর রয়েছে! ঢাকা সদরঘাট হতেও লঞ্চ রিজার্ভ নিয়ে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে দীর্ঘ ভ্রমন করা যায়। খুলনা ভ্রমণ

এছাড়া মংলা বন্দর থেকে বোট ভাড়া করে ১ দিনের মধ্যে সুন্দরবনের ২-৩ টি পয়েন্ট ভ্রমন করে আসতে পারেন।

 
১১.#তেরখাদা_পদ্মবিল ঃ ভূতিয়ার পদ্মবিল। খুলনা শহর হতে ১৮ কিমি: দূরে তেরখাদা বাজার। খুলনার জেলখানা ঘাট থেকে বোটে ওপাড়ে সেনেরবাজার ঘাটে নেমে বাসে বা লেগুনায় তেরখাদা বাজার। এরপর ভ্যানে সোজা বিলে! ভাড়া ১০ টাকা। পদ্মবিলে ঘুরে বেড়ানোর জন্য ওখানে অনেক নৌকা ভাড়া পাওয়া যায় , মাঝিই আপনাকে বিল ঘুরিয়ে দেখাবে! ভাড়া ২০০ টাকার মতো নিতে পারে। নৌকাগুলো ছোট! ২ থেকে ৩ জন বসা যায়!

পদ্ম দেখার সবচেয়ে ভাল সময় ভোর বেলা। এরপর সূর্যের আলো বাড়ার সাথে সাথে পদ্মের আসল সৌন্দর্য ম্লান হতে থাকে। বর্ষাকাল থেকে শীতের আগপর্যন্ত বিলে পদ্ম থাকে। তবে এখনই যাওয়ার সবচেয়ে ভাল সময়।
 
১২.#বীরশ্রেষ্ঠ_রুহুল_আমিনের_সমাধি ঃ খুলনার রুপসা নদীর তীরে চিরনিদ্রায় শায়িত রয়েছেন 🇧🇩 বাংলাদেশ স্বাধীনতা যুদ্ধের অকুতোভয় সৈনিক, দুরন্ত দেশপ্রেমিক বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন। খুলনা ভ্রমণ
 

১৩.#দক্ষিণডিহি ও #কুশারী_বাড়ি ঃ বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতি বিজড়িত স্থান দক্ষিণডিহি। বিচিত্র ফুলের সমাহারে শান্তির গ্রাম দক্ষিণডিহি! খুলনা শহর থেকে ১৯ কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে ফুলতলা উপজেলা। এরপর তিন কিলোমিটার উত্তর-পশ্চিমে গেলে দক্ষিণডিহি গ্রাম। গ্রামের ঠিক মধ্য খানে মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে রবীন্দ্র-মৃণালিনীর স্মৃতিধন্য একটি দোতলা ভবন। এটাই রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের শশুড়বাড়ি। এখানে রয়েছে কবির আবক্ষ ভাস্কর্য, কবিপত্নীর আবক্ষ ভাষ্কর্য, শ্বশুর বাড়ির দ্বিতল ভবন। এছাড়া রয়েছে সবুজ-শ্যামল ঘন বাগান, পান-বরজ ও নার্সারি।
 
কলকাতার জোড়া সাঁকোর বিখ্যাত ঠাকুর পরিবারের সঙ্গে দক্ষিণ ডিহির সম্পর্ক নিবিড়। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মাসারদা সুন্দরী দেবী জন্ম গ্রহণ করে ছিলেন এই দক্ষিণডিহি গ্রামে। রবীন্দ্রনাথের কাকি ত্রিপুরা সুন্দরী দেবী এই গ্রামেরই মেয়ে। রবীন্দ্রনাথের স্ত্রী মৃণালিনী দেবী দক্ষিণ ডিহিরই মেয়ে। ২২ বছর বয়সে কবির বিবাহ হয় দক্ষিনডিহি গ্রামের বেনীমাধব রায় চৌধুরীর মেয়ে ভবতারিনী ওরফে মৃণালিনী দেবীর সাথে। যৌবনে কবি কয়েক বার তাঁর মায়ের সঙ্গে দক্ষিণডিহি গ্রামের মামা বাড়িতে এসেছিলেন। ২৫শে বৈশাখ ও ২২শে শ্রাবণে এখানে নানা আয়োজনে রবীন্দ্রজয়ন্তী ও কবিপ্রয়াণ দিবস পালন করা হয়।
 
#কুশারী_বাড়ি ঃ বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের বসতভিটা। বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের বাস্তুভিটা হিসাবেখ্যাত কুশারী বাড়ি রূপসা উপজেলার ৫নং ঘাটভোগ ইউনিয়নের অন্তর্গত পিঠাভোগ গ্রামে অবস্থিত। নওয়াপাড়া বিশ্বরোড থেকে ৭কি.মি. দক্ষিণে অগ্রসর হয়ে পিঠাভোগ কাজদিয়া সেতু পার হয়ে ১কি.মি. পূর্বে ঘাটভোগ ইউনিয়ন পরিষদের পাকা রাস্তা ধরে খানিকটা অগ্রসর হয়ে প্রাচীন ভৈরব নদীর ৪০০ফুট উত্তর পাড়েই বিশ্ব কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের পূর্বপুরুষের বসতভিটা কুশারী বাড়ির অবস্থান। ২০১৫ সালে প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর কর্তৃক কবি গুরুর পূর্বপুরুষের বাস্তুভিটাকে ১৯৬৮ সালের (সংশোধিত ১৯৭৬ইং) প্রত্নতাত্ত্বিক আইনের আওতায় সংরক্ষিত পুরাকীর্তি ঘোষণা করা হয়। খুলনা ভ্রমণ

#যেভাবে_যাবেন : খুলনা থেকে বাসে রূপসা উপজেলায় গিয়ে সেখান থেকে স্থানীয় যানবাহন পাওয়া যায়।
 
১৪.#মিস্টার_চার্লির_কুঠিবাড়ি ঃ খুলনামহানগরীর প্রথম দালান বাড়িটি স্থাপন করেন নীলকর চার্লস। রেলওয়ে হাসপাতাল সড়কে বাংলাদেশ আভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্পোরেশনের (বিআইডিসি) পরিত্যক্ত প্রাক্তন আঞ্চলিক কার্যালয় হিসাবে জরাজীর্ণ বাড়িটি আজো নগর পত্তনের নীরব সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে। ১৭৯৫ সালে ইংরেজ নীলকর বন্ড যশোরের রূপদিয়াতে প্রথম নীলের কারখানা স্থাপন করেন। এই কারখানা স্থাপনের মাধ্যমে এ অঞ্চলে শুরু হয় নীল অত্যাচারের এক ভয়ঙ্কর ইতিহাস। ১৮০১ সালে খুলনার দৌলতপুরে নীলকর এন্ডারসন প্রথম নীলকুঠি স্থাপন করেন। এরপর শহরের কেন্দ্রস্থলে নীলকুঠি স্থাপন করা হয়। এই কুঠিটি স্থাপন করেন নীলকর চার্লস। আর এই কুটিবাড়িটিই খুলনা শহরের প্রথম পাকা দালান বাড়ি।
 

#অবস্থান ঃ রেলওয়ে হাসপাতাল সড়ক।
 
১৫.#রাডুলী ঃ আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়ের বসতবাড়ি।

১৮৬১ সালের ২রা আগস্ট পাইকগাছা উপজেলার রাডুলী গ্রামের এই বাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন বিশ্ব বরেণ্য বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়।
 
#অবস্থান ঃ রাডুলী ইউনিয়ন, পাইকগাছা।

দুরত্ব ঃ খুলনা হতে ৬২ কিমি:
 
১৬.#কবি_কৃষ্ণচন্দ্র_ইনস্টিটিউট ঃ খুলনা জেলার দিঘলিয়া উপজেলার সেনহাটি ইউনিয়ন বাজারের প্রাণকেন্দ্রে কবি কৃষ্ণচন্দ্র ইনস্টিটিউটের অবস্থান। খুলনা জেলা থেকে সড়ক পথ বা নদী পথে সেনহাটি বাজার আসা যায়। এছাড়া দিঘলিয়া উপজেলা থেকে সড়ক পথে ভ্যান/ইজিবাইক যোগে সেনহাটি বাজারে আসা যায়।
 
১৭. #শিরোমনি_স্মৃতিসৌধ ঃখুলনা থেকে বাসে ফুলতলা যাবার পথে শিরোমনি বাসস্ট্যান্ডে নামতে হয়। পরে স্থানীয় হালকা যানবাহনে করে যাওয়া যায়। খুলনা ভ্রমণ
 
১৮. #চুকনগর ও #গল্লামারি_বধ্যভূমি, ঃ খুলনা শহর হতে চুক নগরের দুরত্ব ৩১ কিমিঃ, চুকনগর বাজার থেকে ৩ কিমি: দূরে অবস্থিত বধ্যভূমিতে ভ্যানগাড়িতে যাওয়া যায়। পৃথিবীর নিকৃষ্টতম ও দ্রুততম গণহত্যাটি এখানে ঘটেছিলো ১৯৭১ এর ২০ মার্চে। এই চুকনগরে পাক সেনারা মাত্র ৬ ঘণ্টায় ১৫০০০ হাজার মানুষকে পাশবিক কায়দায় হত্যা করেছিল!

#গল্লামারী বধ্যভূমিতে খুলনা শহরের সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ড থেকে রিক্সা কিংবা অটোরিক্সায় যাওয়া যায়।

১৯. #বকুলতলা ঃখুলনা শহরে রূপসা নদীর তীরে জেলা প্রশাসক মহোদয়ের বাংলো। জেলা প্রশাসক মহোদয়ের উদারতায় যে কোন সময় পরিদর্শনের অনুমতি পাওয়া যায়।
 
২০. #মহিম_দাশের_বাড়ি, ২১.#খালিশপুর_সত্য_আশ্রম ঃ
 
অবস্থান ঃ দুটি স্থান ই খালিশপুরে অবস্থিত...
 
২২. শেখ_রাসেল_ইকোপার্ক ঃ আগামীর খুলনার সেরা কৃত্রিম বিনোদন কেন্দ্র! খুলনার রূপসা নদীর তীরে প্রায় ৪৩ একর খাস জমিতে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে তৈরি হচ্ছে শেখ রাসেল ইকোপার্ক। নদীর পাড় ঘেঁষে এই পার্ক নির্মাণের উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়েছে খুলনাবাসী। তাই তো পূর্ণাঙ্গভাবে চালুর আগেই বিনোদনপ্রেমীদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠছে গোটা পার্ক এলাকা। বর্তমানে পার্কটির অনেকাংশের শেষ হলেও কবে নাগাদ সম্পূর্ণ কাজ শেষ হবে তার নিশ্চয়তা দিতে পারছে না জেলা প্রশাসন। খুলনা ভ্রমণ

রূপসা সেতুর ১.৯ কি.মি. দক্ষিণে বটিয়াঘাটা রাস্তার পার্শ্বে রূপসার শাখা নদী কাজীবাছার পার্শ্বে প্রায় ৪৩ একর সরকারি খাস জায়গায় ‘শেখ রাসেল ইকোপার্ক’ স্থাপনের পরিকল্পনা করে খুলনা জেলা প্রশাসন। জমি অনুমোদন ও অন্যান্য প্রক্রিয়া শেষ করে ২০১৭ সালের নভেম্বর থেকে পার্কের কাজ শুরু হয়েছে। বর্তমানে কাজ শেষ না হলেও প্রতিদিনই বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ ইকোপার্ক এলাকায় ভিড় জমাচ্ছে। এজন্য রূপসা নদী সংলগ্ন পুল, দর্শনার্থীদের বিশ্রামের জন্য দুই পাশে বিশ্রামাগার নির্মাণ করা হয়েছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন বৃক্ষরাজি দিয়ে বনের আবহ তৈরি করা হয়েছে। পূর্ণাঙ্গভাবে পার্কটি চালু না হলেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এখানে আসা বিনোদনপ্রেমীরা।
 
২৩. নিম_বাগান ঃ রুপসাতে অবস্থিত। খান জাহান আলী সেতুর নীচে ডান পাশের পথ ধরে ২ কিমি: দূরেই রয়েছে এই

নিম বাগান।
 
২৪. রংপুর_গ্রাম ঃ ডুমুরিয়া উপজেলার রংপুর গ্রাম। আদর্শ গ্রাম।
 
২৫.খান জাহান আলী সেতু: খুলনা শহরের অন্যতম দর্শনীয় স্থান! ইজিবাইক বা রিক্সায় খানজাহান আলী সেতুতে যাওয়া যায়।

২৬.শহীদ হাদিস পার্ক: খুলনা শহরের বাবুখান রোডে বাংলাদেশ ব্যাংক খুলনা শাখার পশ্চিম পার্শ্বে অবস্থিত একটি পার্ক।
 
২৭.চন্দ্রমহল ঃ বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় রঞ্জিতপুর গ্রামের কাছে একটি পিকনিক স্পট রয়েছে। এটি আসলে একটি চমৎকার শিল্প নিদর্শন। তাজমহলের আদলে তৈরি চন্দ্রমহল।বাসে ঢাকা বা খুলনা থেকে বাগেরহাট জেলার মংলাপোর্টে যেতে রামপাল উপজেলার সোনাতুনিয়া বাসস্ট্যান্ডে নামতে হবে। এখান থেকে হাতের বামে ভ্যানে জনপ্রতি দশটাকা ভাড়ায় চন্দ্রমহল। খুলনা ভ্রমণ
 
২৮.জাহানাবাদ বনবিলাস চিড়িয়াখানা ও শিশু পার্কঃ শহর থেকে একটু দূরে মনোরম পরিবেশে, বাঘ, ভাল্লুকের সাথে দেখা করতে যেতে পারেন জাহানাবাদ চিড়িয়াখানাতে। সাথে বাচ্চাদের জন্য আছে বনবিলাস শিশু পার্ক, যেখানে বিভিন্ন রাইডে আপনার বাবুটি বেশ আনন্দেই থাকবে। শহর থেকে যেতে ঘন্টাখানিক সময় লাগবে।
 
২৯.জাতিসংঘ_পার্কঃ ঈদের সময় সাধারণত এখানে ঈদ মেলা বসে। তাই মেলায় আসার ইচ্ছা থাকলে এখানে আসতে পারেন। জায়গাটি শহরের প্রাণকেন্দ্র শান্তিধাম মোড়েই অবস্থিত।
 
৩০.প্রেম কানন ও জোড়াগেট ৬ নং ঘাটঃ একসময়ের নামকরা জায়গা প্রেমকানন। বিশেষ করে বিভিন্ন পশু প্রানীর আকৃতিতে গাছের বেড়ে ওঠার সৌন্দর্যটি এখনো খুলনাবাসীদের হৃদয়ে ভাসে। কিন্তু এখন আর সেই জৌলুশ নেই। তবুও এখনো অনেকের কাছে এটি পছন্দনীয় স্থান। তবে এর পাশেই আছে ৬ নং ঘাট এলাকা যেখানে আপনি পাবেন, নদীর পাশে সুন্দর বসার জায়গা। খুলনা ভ্রমণ
 
৩১.সোনাডাঙ্গা পার্কঃ সোনাডাঙ্গায় অবস্থিত সোলার পার্কটিও এই ঈদে অনেকের পছন্দের তালিকাতে থাকতে পারে। সুন্দর ও মনোরম পরিবেশে, দীঘির পাশে বসে কিছু সময় কাটাতে চাইলে যেতে পারেন এখানে।
 
৩২.মুজগুনী শিশুপার্ক ঃ খালিশপুর মুজগুনী এলাকাতে আসলে ঘুরে যেতে পারেন এই শিশুপার্ক থেকে। এখানে আছে বিভিন্ন রাইড। আর এর কাছাকাছিই বসে ঈদ মেলা, যেখানে গেলেও আপনার সময়টা ভালো কাটবে।
 
৩৩.বটিয়াঘাটা গোপীখালী ওয়াই সি রিসোর্টঃ খুলনা শহর থেকে একটু দূরে যেতে পারেন বটিয়াঘাটা গোপীখালী ওয়াই সি রিসোর্টে। খুলনা থেকে বটিয়াঘাটা নেমে সেখান থেকে সোজা রিসোর্টে।
 
৩৪.সুন্দরবন রিসোর্ট ও পিকনিক কর্নার ঃ সোনাডাংগা বাস স্ট্যান্ড থেকে বাগেরহাটের বাসে উঠে বারাকপুর রিসোর্টের কথা বললেই নামিয়ে দিবে।

এখানে পাবেন সুন্দরবনের মতো সাজানো মনোরম পরিবেশ।

--------------------------------------------------------
 
#খুলনার_খাবার_খবর..!
 
১.#আব্বাস_হোটেলের_খাসির_খাবার ঃ খুলনা হতে

সাতক্ষীরা যাবার পথে ৩১ কিমি: দুরত্বে অবস্থিত #আব্বাস_হোটেল। #চুই_খাসির রান্না এটাই খুলনা তথা দেশের সেরা! চুই ঝাল, রসুন ও অন্যান্য মসলা দিয়ে রান্না করা হয় এই #খাসির_খাঁসা_খাবার! খাবার পরিবেশনের ধরনও আলাদা! একজন কর্মচারী গোসতের গামলা নিয়ে আপনার #পছন্দসই_পিসের জন্য দাঁড়িয়ে থাকবে! দাম ১১০ টাকা।
 
১.#জিরো_পয়েন্টের_কামরুলের_গরু_খাসির_খাবার ঃ খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে একটু সামনে এগোলেই পড়বে জিরো পয়েন্ট। কাউকে জিজ্ঞেস করলেই দেখিয়ে দিবে কামরুল হোটেল। এই #কামরুল_হোটেলের চুইঝালের গরু আর খাসির রান্না খুব জনপ্রিয়! দাম ১১০ টাকা। খুলনা ভ্রমণ
 
২.#বেজেরডাঙ্গার_মুসলিমের_গরু_খাসির_খাবার ঃ

কামরুল এবং মুসলিম দুই হোটেলের গরু-খাসির রান্নাই সেরা!! ফুলতলা পার হয়ে বেজেরডাঙ্গার মুসলিম হোটেলের অবস্থান। বেজেরডাঙ্গার গরু পুরো খুলনায় বিখ্যাত। তবে এখানে অনেকগুলো মুসলিম হোটেল আছে! ঢোকার আগে জিজ্ঞেস করে নেবেন আসল মুসলিম কোনটা।
 
৩.#মেগা_হোটেলের_কাচ্চি_বিরিয়ানি ঃ খুলনার নতুন রাস্তা থেকে একটু সামনেই অবস্থিত খুলনার বিখ্যাত কাচ্চির আস্তানা “মেগা বিরিয়ানি হাউজ”। এটি খুলনার সেরা বিরিয়ানি! মূল্য ১৩০ টাকা।
 
৪.#বাঁশ_বাগানের_খিচুড়ি_কলিজা_মুরগী_ভুনা ঃ খুলনার সেরা খিচুরী! এই হোটেলের খিচুড়ি সাথে কলিজা ও মুরগী ভুনা দারুন সুস্বাদু! সোনাডাঙ্গা মজিদ সরণিতে গাজী মেডিকেলের একটু সামনে হাতের বামে গেলেই মিলবে বাঁশ-বাগান রেস্টুরেন্ট। খিচুড়ির দাম ৩০ টাকা, মুরগী ভুনা ৫০ টাকা আর কলিজা ভুনা ৬০ টাকা।
 
৫.#হানিফ_কাকার_ভর্তা_ভাত ঃ খুলনার নতুন রাস্তার মোড়ে রয়েছে #হানিফ_ভর্তা_হোটেল। রেললাইনের পাশেই ছোট বেড়ার ঘরই এই হানিফ কাকার ভর্তা হোটেল!প্রায় ২০ রকমের ভর্তা এখানে পাওয়া যায়! সাত সকালে আপনার সামনেই সেখানকার চাচী বানিয়ে দেবে চিংড়ি, আলু, পেঁপে, কালিজিরা, ডাল সহ আরো পনেরো রকমের ভর্তা। যতখুশি খাওয়া যাবে ভর্তা! ভাত প্রতি প্লেট ৩০ টাকা(প্রথমবার), পরেরবার থেকে ১০ টাকা! খুলনা ভ্রমণ
 
৬.#রাজকচুরীর_রাজস্থানি_খাসির_খাবার ঃ এখানে খাসির খাবার টি একটু ভিন্নধর্মী । এই হোটেলটি খুলনা হতে ১২ কিমি:

দূরে দৌলতপুরে অবস্থিত। #রাজস্থানি_খাসির_খাবার! সাধারণ খাসির মাংসের চেয়ে একটু অন্যরকম খাসির মাংসের স্বাদ পাওয়া যাবে রাজকচুরীতে। মূল্য ১৬০ টাকা।
 
৭.#ইন্দ্রমোহন_সুইটস---
 
#প্রাপ্তিস্থান : ইন্দ্রমোহন সুইটস।

#অবস্থান : (প্রবেশ মুখ) হেলাতলা রোড,বড়বাজার , খুলনা।

#সময়কাল : ১৩৫ বছরের ঐতিহ্যবাহী মিস্টির দোকান..!

#মিস্টিমালা : সন্দেশ-রসগোল্লা-জাম-পানতোয়া....

#মান : #বাংলাদেশের_সেরা_মিস্টান্ন !!

#বিশেষত্ব : এখনও কলাপাতায় মিস্টি দেয়া হয়.! এবং কেজি নয় এখানে পিস হিসেবে মিস্টি বিক্রি হয় (২০ টাকা পিস)..!

#তবে ---------- দোকানটিতে পরিচ্ছন্নতার অভাব রয়েছে...!!
 
#সেই_১১_যুগ_পূর্বের_মিস্টির_সেরা_মানটাই_রয়েছে!

#সাথে_পরিবেশটা_ও_অপরিবর্তিত...!!

--------------------------------------------------------

*নিউ সাতক্ষীরা ঘোষ ডেয়ারির মিস্টি

*করনেশনের পাশে সরপুরি মিস্টি
 
**এই দুই মিস্টান্ন খুলনার প্রসিদ্ধ.....

--------------------------------------------------------

৮.#কাচ্চিঘরের_কাচ্চি_বিরিয়ানি ঃ খুলনার কাচ্চি বিরিয়ানির #সমার্থক এই রেস্টুরেন্টের নাম #কাচ্চিঘর। রয়েলের মোড়ে অবস্থিত এই রেস্টুরেন্ট। সুস্বাদু খাসির কাচ্চি বিরিয়ানির সাথে রয়েছে চাটনি, বোরহানি আর সেদ্ধ ডিম। সব মিলিয়ে প্রতিজনে খরচ পড়বে ১৮০ থেকে ২০০ টাকার মতো। খুলনা ভ্রমণ
 
৮.#নিউমার্কেটের_দই_ফুচকা ঃ খুলনার খাবারের ঐতিহ্য যথেষ্ট উঁচুমানের! এর মধ্যে #পথ_খাবারের তালিকাও পরিপুষ্ট!

চটজলদি খাবারের রসনা-বিলাশ ও চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে!

নিউমার্কেটের ১নং গেটের বাম দিক দিয়ে একটু সামনে এগিয়ে গেলে একটা পল্লী-বাইকের মধ্যে দিল্লির লসসি, দই ফুচকা ইত্যাদি মজাদার খাবার পাওয়া যাবে।

দোকানের সেরা খাবার #দই_ফুচকা। প্রচুর পরিমাণ দই দেয় ফুচকায়। এক প্লেটে ১০টা ফুচকা দেবে, প্রতি প্লেটের মূল্য মাত্র ৪০ টাকা।
 
৯.#ডাকবাংলা_ও_নিউমার্কেটের_দুধ_বাদাম_চাঃ খুলনার পরিচিত দুটি জায়গা ডাকবাংলা আর নিউমার্কেটেই পাওয়া যায় বিখ্যাত দুই ধরনের দুধ-চা। ডাকবাংলা ফেরীঘাটে বাসস্ট্যান্ডের সামনে বেড়া আর কাঠের পুরনো বেঞ্চি সাজানো দোকানে মিলবে বাদাম-চা। প্রচুর বাদাম মিশ্রিত এই চা এক কথায় দারুন!প্রতি কাপ চায়ের মূল্য ১০ টাকা।

অপর বিখ্যাত চা পাওয়া যায় নিউমার্কেটের ঠিক পেছনে ভাই-ভাই টি স্টলে। এই #মালাই_চায়ের স্বাদ আপনাকে সেরা দুধ চায়ের সাথে পরিচিত করিয়ে দেবে! দুধের সর দেয়া সেই চায়ের মূল্য ২০ টাকা।
 
এছাড়া ---

(১০)পিটিআই মোড়ের মিনি চাইনিজ,

(১১)খুলনা জর্জকোটের ভেতরের দত্তের বাংলা খাবারের হোটেল,

(১২)নিরালা ১ নং রাস্তার মাথায় পরোটা-গরুর ভুড়ির রোল,

(১৩)নেভিগেটের তৃপ্তি হোটেলের ছানার জিলাপি,

(১৪)করনেশনের পাশে ঘোষ ডেয়ারির রসমালাই,
 
ইত্যাদি খাবারও সুস্বাদু ও সুপরিচিত..!!

-----------------------------------------------------------
 
#ঢাকা_হতে_খুলনা_ভ্রমণ ---
 

#পানিপথ ঃ শতবর্ষের ঐতিহ্যবাহী প্যাডেল ষ্টীমার ভ্রমণ!

যেভাবে যাবেন - ঢাকা থেকে কেবল বুধবারে এভাবে যেতে পারবেন। বুধবার সন্ধ্যা ছয়টার মধ্যে চলে যাবেন সদরঘাট। উঠে পড়বেন খুলনাগামী প্যাডেল ষ্টীমারে। যদিও মূলত এগুলো রকেট নামেই পরিচিত।
 
এই ভ্রমণে উপভোগ করা যাবে বুড়িগঙ্গা, ধলেশ্বরী, মেঘনা, ডাকাতিয়া, কীর্তনখোলা, সুগন্ধা, বিষখালী, গাবখান, সন্ধ্যা, কচা, বলেশ্বর, মংলা, পশুর ও রুপসা নদীর চিরায়ত সৌন্দর্য এবং নদী কেন্দ্রীক গ্রামীণ জীবন-জীবিকা।

সপ্তাহে ৪দিন সন্ধ্যায় বিআইডব্লিওটিসির রকেট সার্ভিসের আওতায় প্যাডেল স্টীমারগুলো ঢাকা ছেড়ে যায় মোড়েলগঞ্জের উদ্দেশ্যে। আর শুধু একদিন খুলনা যায়। খুলনা ভ্রমণ

ঢাকা থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায় খুলনার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে শত বছরের প্রাচীন এই রকেটগুলো। সময় লাগবে ২৬ ঘণ্টা। আর ভাড়া ৩১০ টাকা।
 
** বি আই ডব্লিউ টি সি'র মালিকানাধীন এম. ভি. মধুমতি/বাঙালি এবং স্টিমারগুলোতে আপনারা নিরাপদ ও আরামদায়ক ভ্রমণ নিশ্চিত করতে যোগাযোগ করুন রকেট রিজারভেশন শাখায়,
 
জনাব মো: ফয়সাল

এসিস্টেন্ট ম্যানেজার (কমার্স)

ফোন: +৮৮০২৯৬৬৭৯৭৩ এবং +৮৮০১৮১৮৫৩২৫৪০

পিএবিএক্স: ৯৫৫৫০৩২-৩৩/২৫৯
 
বিআইডব্লিউটিসি প্রধান অফিস ও বাদামতলী ঘাট অফিস।

ফোনঃ ৯৫৫৯৭৭৯, ৯৫৫৫০৩২-৩৩, ৯৫৫০৪৬৬, ৭৩৯০৬৯১

--------------------------------------------------------------
#সড়ক_পথঃ ঢাকা থেকে দুইদিক দিয়ে বাসযোগে খুলনা যাওয়া যায়। ঢাকা হতে পাটুরিয়া পদ্মানদী ঘাট পাড় হয়ে রাজবাড়ি>ফরিদপুর>মাগুরা>যশোর হয়ে খুলনা অথবা ঢাকা হতে মাওয়া ঘাট পাড় হয়ে ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানা হয়ে গোপালগঞ্জের উপর দিয়ে বাগেরহাট হয়ে খুলনা।

দুটি পথই বর্তমানে উন্নতমানের, মাওয়া ঘাটের তুলনায় পাটুরিয়া ঘাটের ফেরি পারাপারে ঝামেলা বেশি!
 
সায়েদাবাদ থেকে সরাসরি বাগেরহাট এর বাসে বা গুলিস্তান থেকে খুলনা গামী লঞ্চ পারাপার টুংগীপাড়া এক্সপ্রেস এ উঠে বসুন । ভাড়া নিবে ৪০০ টাকা চেয়ার কোচ । রাত ১০ টার বাসে উঠলে সকালে খুলনা পৌছাতে পারবেন ।
 
ঢাকা > খুলনা রুটে চলাচলকারী কয়েকটি বাসের নাম, ও যোগাযোগ নম্বর----
 
#সোহাগ_পরিবহন - এসি/নেন এসি।ভাড়া- ৪৫০ থেকে

ফোন-(01926699367),সায়দাবাদ কাউন্টার

-(01926699355),(দামপাড়া, চট্টগ্রাম)
 
#গ্রীনলাইন - (এসি), ভাড়া- (01730060013) সায়দাবাদ

- 01970060085(দামপাড়া,চট্টগ্রাম)
 
#টুঙগিপাড়া এক্সপ্রেস - 01196267167(গুলিস্তান)

-01196267166(সায়দাবাদ)

---------------------------------------------------------------------
 
#রেলপথ---
 
#চিত্রা_এক্সপ্রেস ঃ কমলাপুর থেকে রাত সাতটা এবং বিমানবন্দর থেকে ৭:৩০ এ ছেড়ে আসে , ভাড়া নিবে ৫০৫ টাকা ,ভোরে খুলনা স্টেশন পৌছাবে।

#সাপ্তাহিক_বন্ধের_দিন_সোমবার। খুলনা ভ্রমণ
 
#সুন্দরবন_এক্সপ্রেস ঃ ঢাকা থেকে ছাড়বে সকাল ০৬:২০ এ। খুলনা পৌঁছাবে দুপুর ০৩:৪০ এ। সাপ্তাহিক বন্ধের দিন বুধবার।

---------------------------------------------------------
 
#খুলনাতে_রাত্রি_যাপন_ব্যবস্থা----
 
খুলনায় থাকার জন্য আবাসিক ও অনাবাসিক অনেক মান সম্পন্ন হোটেল রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম ক্যাসল সালাম, হোটেল রয়েল, ওয়েস্টার্ন ইন, হোটেল এ্যাম্বাসেডর, হোটেল মিলেনিয়াম, হোটেল পার্ক, হোটেল হলিডে ইন্টারন্যাশনাল ইত্যাদি। হোটেলের ফোন নাম্বারঃ
 
**খুলনার হোটেল : খুলনাতে বেশ ভালো কিছু হোটেল গড়ে উঠেছে। এসব হোটেল থেকে বাছাই করা কিছু হোটেলের বিবরন নীচে দেয়া হলো। এখানে রেক রেট দেয়া হলো্। ফোনে কথা বললে ডিসকাউন্ট পাওয়া যেতে পারে। এটি আরো আপডেট করা হবে।
 
**খুলনার কয়েকটি আবাসিক হোটেলের নামের তালিকাঃ
 
***প্রথম সারির আবাসন/থ্রীস্টার হোটেল

——————————————————

হোটেল রয়্যাল ইন্টারন্যাশনাল

হোটেল ক্যাসল সালাম

হোটেল সিটি ইন

ওয়েস্টার্ন ইন হোটেল

টাইগার গার্ডেন হোটেল

এ্যাম্বাসেডর হোটেল

সি এস এস আভা সেন্টার

হোটেল মিলেনিয়াম




**দ্বিতীয় সারির আবাসন

———————————

সাউদার্ন হোটেল

এন জি ও ফোরাম গেস্ট হাউজ

ডিল্যাক্স হোটেল

পার্ক হোটেল

বসুন্ধরা হোটেল

হলিডে ইন

রোজ গার্ডেন হোটেল

প্যারাডাইস হোটেল

ইত্যাদি




*স্বল্প মূল্যের আবাসন/বাজেট হোটেল

——————————————————

বোরাক হোটেল

আরাম হোটেল

ইত্যাদি
 

বিঃদ্রঃ খুলনা শহরের বড় বাজার, হেলাতলা, দৌলতপুর সহ প্রায় সব এলাকাতেই স্বল্পমূল্যের হোটেল, গেস্ট হাউজ, ডর্মিটরি ইত্যাদি রয়েছে৷ যার মূল্য মাত্র ২০০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা৷ অতএব একটু অনুসন্ধান করলেই পেয়ে যেতে পারেন আপনার পছন্দের স্থানটি৷ খুলনা ভ্রমণ
 
১. হোটেল রয়্যাল, কেডিএ এভিনিউ, খুলনা

ফোন : ০৪১-৭২১৬৩৮, ০১১৯০-৮৫৬০১৩, ০১৭১৮-৬৭৯৯০০

#ভাড়াঃ স্ট্যান্ডার্ড সিঙ্গেল : ১২০০/- ++

স্ট্যান্ডার্ড টুইন : ২০০০/-++

স্ট্যান্ডার্ড কাপল ১৮০০/- ++
 
**সব রুম এসি। ভ্যাট ও সার্ভিস চার্জ প্রযোয্য**

--------------------------------------------------

২. হোটেল ক্যাসেল সালাম, কেডিও এভিনিউ, খুলনা

ফোন : ০৪১-৭২০১৬০, ০১৭১১-৩৯৭৬০৭, ৮৮০-৪১-৭২০১৬০, (৮৮০-৪১-৭৩০৭২৫)

#ভাড়াঃ নন এসি সিঙ্গেল : ১০০০/- ++

স্ট্যান্ডার্ড সিঙ্গেল : ১৫০০/- ++ (এসি)

স্ট্যান্ডার্ড কাপল : ১৮০০/- ++

 
* সুইমিং পুল আছে*

----------------------------------------------




৩. হোটেল সিটি ইন, (মজিদ স্বরনী, খুলনা)

ফোন : ০৪১-২৮৩৪০৬৭




#ভাড়াঃ স্ট্যান্ডার্ড সিঙ্গেল : ১৬০০/- ++

স্ট্যান্ডার্ড টুইন : ২৪০০/-++

স্ট্যান্ডার্ড কাপল : ২২ ০০/- ++




*সুইমিংপুল আছে*

--------------------------------------




৪. হোটেল জেলিকো, লোয়ার যশোর রোড, জেল টাওয়ার, খুলনা, ফোন : ০৪১-৭২৫৯১২

---------------------------------------




৫. হোটেল টাইগার গার্ডেনঃ ৮৮০৪১৭২১১০৮

----------------------------------------




বিশেষ_দ্রষ্টব্যঃ পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা ঈমানের অঙ্গ এবং সকলেরই কাম্য, প্রতিটি পর্যটন স্থানের পরিচ্ছন্নতা সম্পর্কে সবাই সচেতন থাকব ইনশাআল্লাহ ।